Mahmud Transport

Mahmud Transport Mahmud Transport

01/05/2025

লিটার প্রতি ১ টাকা কমিয়ে জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিজেল প্রতি লিটার ১০৪ টাকা, কেরোসিন ১০৪ টাকা, অকটেন ১২৫ টাকা এবং পেট্রোল ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী পহেলা মে থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে।

আজ (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

তথ্যসূত্রঃ চ্যানেল ২৪

05/11/2021
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ ইং  অনুযায়ী করণীয়১।মোটরসাইকেলের তিনটা পেপারের যে কোন একটি না থাকলে  অবশ্যই মামলা হবে-- ক.রেজিষ্ট্রেশ...
29/10/2021

সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ ইং অনুযায়ী করণীয়

১।মোটরসাইকেলের তিনটা পেপারের যে কোন একটি না থাকলে অবশ্যই মামলা হবে--
ক.রেজিষ্ট্রেশন পেপার
খ. ট্যাক্স টোকেন
গ. ড্রাইভিং লাইসেন্স
২। ট্যাক্স টোকেন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মেয়াদ থাকতে হবে । না হয় মামলা হবে।
রেজিষ্টেশন পেপার এর মেয়াদ লাগে না(তবে একনলেজমেন্ট স্লিপএর মেয়াদলাগে)।
৩।সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কিনছেন কিন্তু নাম ট্রান্সফার বা পরিবর্তন করেননি। মামলা হবে।
৪। লার্নার পেপার আছে কিন্তু পরীক্ষা, ছবি তোলা এবং ফিংগার দেননি এখনো। মামলা হবে।
৫। বাইক ড্রাইভ করার সময় হেলমেট পরেননি অথবা আপনি পরেছেন কিন্তু আপনার পিছে যে আছে সে পরেনি মামলা হবে।
৬। ট্রাফিক/রোড সিগনাল না মানলে মামলা হবে।
৭ । উল্টা পথে আসলে মামলা হবে।
৮। ব্রেক লাইট না জ্বললে, ইন্ডিকেটর লাইট ভাংগা বা না থাকলে, রাতে হেড লাইট না জ্বালালে মামলা হবে।
৯। ড্রাইভ করার সময় মোবাইলে কথা বললে অথবা নেশা করে ড্রাইভ করলে মামলা হবে।
১০। অনুমতি ব্যতিত বাইক মোডিফাই করলে, রঙ পরিবর্তন করলে, VIP হর্ন ব্যবহার, ফগ লাইট ব্যবহার, হ্যালোজেন লাইটের জায়গায় LED হেডলাইট ব্যবহার করলে মামলা হবে।
১১। বাইকে ২জন এর অধিক যাত্রি থাকলে মামলা হবে।
১২। অবৈধ ভাবে পার্কিং করলে মামলা হবে।
১৩। সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি/পুলিশ এর কাজে বাধা সৃষ্টি করলে মামলা হবে।
১৪। ফুটপথে মোটরসাইকেল চালালে মামলা হবে।
১৫। লুকিং গ্লাস/ সেফটি গ্লাস না থাকলে মামলা হয়।
১৬।লেফট লেন এর সঠিক ব্যাবহার না করলে মামলা হবে।
১৭।স্টপ লাইন সঠিক ভাবে না মানলে মামলা হবে।
১৮।তারিখ অনুযায়ী পূর্বের মামলা নিষ্পত্তি না করলে মামলা হবে।
উপরের বিষয়গুলি মেনে চললে , সহজে মামলা এড়ানো সম্ভব।

যত গতি তত ঝুঁকি
20/10/2021

যত গতি তত ঝুঁকি

ভাঙা হচ্ছে’ সিলেটের ৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশাব্রিটিশ আমল, ভারতবর্ষ, পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশ; সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ছি...
14/08/2021

ভাঙা হচ্ছে’ সিলেটের ৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশা

ব্রিটিশ আমল, ভারতবর্ষ, পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশ; সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ছিলো সিলেট। প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় কারণে সিলেট অঞ্চল সবসময় আলাদা গুরুত্ব বহন করেছে। ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি হিসেবে পরিচিত সিলেট পৌরসভায় উন্নীত হয় ১৭৭৮ সালে আর ২০০২ সালের ২৮ জুলাই হয় সিটি কর্পোরেশন। এরপর তথ্য-প্রযুক্তি, শিক্ষা, উন্নয়নে এগিয়েছে সিলেট। তবে সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলে পরিবহনখাত নিয়ে নানামুখী সমস্যায় রয়েছে সিলেট সিটি। গণপরিবহন সংকট, অপ্রশস্ত সড়ক আর অতিরিক্ত প্রাইভেট পরিবহনের কারণে যানজট নগরের নিত্যসঙ্গী। নগরে যানজট নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলেও মিলছে না কোনো সুফল। উলটো এসব পরীক্ষা নিরীক্ষায় ভোগান্তিতে পড়ছেন মানুষ। সিলেট নগরীর যানজট, পরিবহণ সমস্যা-সম্ভাবনা নিয়ে পাঁচ পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদন তৈরি করেছেন আহমদ ইমরান। আজ থাকছে প্রথম পর্ব।
সিলেটের বিভিন্ন সড়কে অবৈধভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রায় ৫ হাজার সিএনজিচালিত অটোরিকশা। এসব অটোরিকশার অর্থনৈতিক মেয়াদকাল উত্তীর্ণ হয়েছে আগেই। নিয়ম অনুযায়ী এসব অটোরিকশা এখন স্ক্র্যাপ (ধ্বংস করে ফেলা) করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন নীতিমালা। আর এই প্রয়োজনীয় নীতিমালা করে দেয়ার জন্য ২০১৬ সালে বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি পাঠিয়েছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার।
তবে ২০১৬ সালের ২৬ এপ্রিল সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের তৎকালীন কমিশনার মো. কামরুল ইসলাম বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি প্রেরণ করলেও এখনো সেই নীতিমালা আলোর মুখ দেখেনি। কিংবা নীতিমালা কোন অবস্থায় আছে সেটিও বলতে পারছে না কেউ।
সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকায় সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলার অটোরিকশা চলাচলের নীতিমালা প্রণয়ন ও সিলেট মেট্রো সার্কেলের কার্যক্রম চালুর প্রশাসনিক কার্যক্রম চালুর অনুমোদন শিরোনামে বিআরটিএ চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি পাঠানো হয়। তবে এই চিঠি পাঠানোতেই থমকে আছে এসব সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ক্র্যাপ করার কাজ।
অন্যদিকে ২০১৪ সাল থেকে সিলেটে সিএনজি অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন বন্ধ রয়েছে। তবে রেজিস্ট্রেশন বন্ধ থাকলেও থেমে নেই সিএনজিচালিত অটোরিকশা বেচাকেনা। প্রতিদিনই নগরের বিভিন্ন সড়কে নামছে নতুন নতুন গাড়ি। সাথে মেয়াদ উত্তীর্ণ কিংবা ভাঙাচোরা গাড়ির পাশাপাশি আছে বৈধ সিএনজি অটোরিকশাও। এতে স্মার্ট সিটির বেশিরভাগ সড়কই সিএনজি অটোরিকশার দখলে। এর বাইরে নগরের বেশিরভাগ এলাকায় সড়ক দখল করে তৈরি করা হয়েছে অবৈধ স্ট্যান্ড। এতে নগরে বাড়ছে যানজট, বাড়ছে ভোগান্তি।
যদিও পুলিশ কিংবা সিলেট সিটি কর্পোরেশন মাঝে মধ্যে এসব সিএনজি অটোরিকশার অবৈধ স্ট্যান্ড উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করে। তবে অভিযানের পরপরই পুরনো রূপে ফিরে সড়ক। দখল আর উচ্ছেদের নিত্য-খেলায় অসহায় নগরবাসী।
পরিবহণ শ্রমিকরা বলছেন, সিলেটে সব মিলিয়ে ১০ হাজারের মতো সিএনজি হতে পারে। তবে বিআরটিএ কিংবা পুলিশ যে ১৮-২০ হাজার সিএনজির কথা বলছে তার হিসেব মেলানো যাচ্ছে না।
শ্রমিকরা আরও বলছেন, অনেক সিএনজি সিলেটের নাম্বার প্লেইট নিয়ে সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজারে চলাচল করছে। এগুলো হিসেবে নিয়ে যদি হিসেব করা হয় তাহলে হয়তো ২০ হাজারের মতো সিএনজি হতে পারে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, সিলেট সিটিতে প্রায় ২২ হাজার সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করে। যা সড়কের তুলনায় অনেক বেশি। এখানে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার সিএনজি চলাচল করতে পারে। আর বেশি হলেই সিলেটে যানজট কিংবা অন্যান্য সমস্যা কমবে না।
অন্যদিকে বিআরটিএ সিলেট সূত্র জানায়, সিলেটে মোট ১৯ হাজার ৩০২টি সিএনজি অটোরিকশা নিবন্ধিত আছে। এরমধ্যে ২০০৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন হয়েছিল ২ হাজার ৭৯২টি। অর্থনৈতিক মেয়াদকাল উত্তীর্ণ হওয়ায় এসব সিএনজি অটোরিকশা স্ক্র্যাপ করার কথা। এর বাইরে অনিবন্ধিত কিংবা দেরিতে নিবন্ধিত হওয়ায় আরও বেশ কিছু সিএনজি অটোরিকশার অর্থনৈতিক মেয়াদকাল শেষ হয়েছে। সব মিলিয়ে এই সংখ্যা ৫ হাজারের মতো হতে পারে।
বিআরটিএ, সিলেটের সহকারী পরিচালক মো. সানাউল হক বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে বেশ কিছু সিএনজি স্ক্র্যাপ করা হয়েছে। এসব সিএনজির অর্থনৈতিক মেয়াদকাল ধরা হয়েছিল ১৫ বছর। এটি রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে নয়। এই মেয়াদকাল গণনা করা হয় উৎপাদনের তারিখ থেকে। এই হিসেব করেই যেসব সিএনজির মেয়াদ ১৫ বছর হয়ে গেছে সেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে হবে।
এদিকে অর্থনৈতিক মেয়াদ উত্তীর্ণ সিএনজির স্ত্র্যাপ করার প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন সিলেটে অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের ইউনিয়নের (রেজি নং চট্ট-৭০৭) সাধারণ সম্পাদক মো. আজাদ মিয়া।
তিনি বলেন, সিলেটে যদি এমন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয় তাহলে আমরা এটিকে স্বাগত জানাবো। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনি।
সিলেট মেট্রোপলিটন রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট কমিটির সভাপতি ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ বলেন, ‘আমি নতুন আশার পরপরই এই বিষয়ে জানতে পেরেছি। এই চিঠি পাওয়ার পর আমি খোঁজ নিচ্ছি। আমি চাই দ্রুত একটি নীতিমালা হোক। যাতে অর্থনৈতিক মেয়াদ উত্তীর্ণ এসব সিএনজি অটোরিকশা স্ক্র্যাপ করা যায়।’
তিনি আরও বলেন, আমাদের হিসেবে সিলেটে প্রায় ২২ হাজারের মতো সিএনজি চলাচল করছে। যা আমাদের সড়কের তুলনায় অনেক বেশি। এগুলো কমিয়ে আনতে হবে। খুব বেশি হলে আমাদের সড়ক অনুযায়ী ১৫ হাজারের মতো সিএনজি অটোরিকশা চলতে পারে বলে আমার মনে হয়। আমরা চেষ্টা করছি- রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজি যাতে সিলেটে চলাচল না করতে পারে। এই বিষয়ে আমরা খুব কঠোর অবস্থানে আছি।’
বিআরটিএ সদর দপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. আজিজুল ইসলাম সিলেট ভয়েসকে বলেন, ‘চিঠির বিষয়ে আমার কাছে জানা নেই। তবে আমি বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখছি।’

…সংগ্রহীত

31/07/2021
21/07/2021
মোটর সাইকেল বিক্রয় চুক্তিনামাপাতা-১গাড়িবিক্রয়চুক্তিনামা  ১মপক্ষ: (বিক্রেতা)আমি……………………………………………………পিতা…………………………………সাং:…...
22/02/2021

মোটর সাইকেল বিক্রয় চুক্তিনামা
পাতা-১
গাড়ি
বিক্রয়
চুক্তিনামা


১মপক্ষ: (বিক্রেতা)
আমি……………………………………………………পিতা…………………………………
সাং:………….

২য়পক্ষ: (ক্রেতা)
আমি……………………………………………………………..পিতা………………………………………...........................সাং:…………

আমিপ্রথমপক্ষ
আমার…………………………………….যাহার রেজি: নং:......................
……………………………………যাহার চেসিস নং………………

ইঞ্জিননং…………………..........……….........প্রস্তুতকারক……………………
তৈরির সন……………………..অশ্বশক্তি……………………………….
সিসি…

জনাব ………………………………………………………………………………….এর
নিকট …………………………………………….টাকা মুল্য ধার্য করিয়া সমস্ত টাকা বুঝিয়া পাইয়া নিম্নলিখিত স্বাক্ষীগনের মোকাবেলায় বিক্রয় করিলাম ।

পাতা-২

প্রকাশ থাকে যে, উক্ত গাড়ী্টি আমার / আমাদের নামে থাকা কালে কোন মামলা মোকাদ্দামা কিংবা ব্যাংকে কোন মর্টগেজ ছিল না । আরো উল্লেখ থাকে যে, মালিকানা পরিবর্তনে কোন সমস্যা হইলে দ্বিতীয় পক্ষ টাকা দেয়া সাপেক্ষে তাহা আমি প্রথম পক্ষ নিজ দায়িত্বে করিয়া দিতে বাধ্য থাকিব কিন্তু ২য় পক্ষকে অবশ্যই আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নাম ট্রান্সফার করতে হবে, অন্যথায় আমি ১ম পক্ষ দায়ভার বহন করিবে না এবং অদ্য…………………………….........ইং তারিখ হইতে আমি দ্বিতীয় পক্ষ উল্লেখিত গাড়ীটির সমস্ত দায়িত্বে দায়বহন করবো ।
যদি নাম ট্রান্সফারে কোন বিগ্ন ঘটে, তাহা হইলে ১ম পক্ষ উপস্তিত থেকে উহা করিয়া দিতে বাধ্য থাকিবে ।

পাতা-৩


উপরে উল্লেখিত ঘটনা উভয় পক্ষ পড়িয়া জানিয়া সুস্থ মস্তিস্কে স্বাক্ষীগনের মোকাবেলায় নিজ নিজ নাম সহি সম্পাদন করিয়া দিলাম ।


স্বাক্ষীগনেরস্বাক্ষর; প্রথমপক্ষ (বিক্রেতা)
১.

৩. দ্বিতীয়পক্ষ (ক্রেতা)
.......................................................................সমাপ্ত ...........................................................................

নোটঃ ১০০ টাকার ৩ টি স্ট্যাম্প সর্বমোট ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প এ চুক্তি সম্পন্ন করবেন। বর্তমানে ১৫০ টাকার স্ট্যাম্প এ গ্রহন যোগ্য নয়।

ফেব্রুয়ারীর শেষ সপ্তাহ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্সে এর স্মার্ট কার্ড বিতরন শুরু হবে।🥰 #কালেক্টেড
12/02/2021

ফেব্রুয়ারীর শেষ সপ্তাহ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্সে এর স্মার্ট কার্ড বিতরন শুরু হবে।🥰

#কালেক্টেড

Address

চৌকিদেখি
Sylhet
৩১০০

Telephone

+8801711325366

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahmud Transport posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mahmud Transport:

Share